× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৫২ এএম

পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে আগুন

দীপুর পরিবার পেল ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ, বিচার নিয়ে অসন্তুষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:৫২ এএম

সংবাদ সম্মেলনে দীপুর পরিবার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সংবাদ সম্মেলনে দীপুর পরিবার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে হত্যার শিকার পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এই সঞ্চয়পত্র দীপুর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে দীপুর পরিবার সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা জানায়। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা এই হত্যার বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত দীপু চন্দ্র দাসের মা শেফালী রানী দাস বলেন, তারা সরকারের কাছ থেকে আজ ২৫ লাখ টাকা পেয়েছেন। এখন তিনি সরকারের কাছে দীপুর স্ত্রীর জন্য একটি চাকরি চান।

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে শেফালী রানী বলেন, যারা অপরাধী, তাদের সবাইকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিচারের অগ্রগতি নিয়েও তারা সন্তুষ্ট নন।

দীপুর বাবা রবি লাল চন্দ্র দাস বলেন, সরকারের কাছে আমার একটি অনুরোধ, আমার ছেলে হত্যার কঠিন বিচার চাই আমি।

দীপু দাসের স্ত্রী মেঘনা রবিদাস বলেন, আমার কিছু বলার নেই। আমি শুধু এটাই বলি, আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের সহমুখপাত্র কুশল বরণ চক্রবর্তী বলেন, আমরা কখনো দেখিনি যে পূর্ববর্তী সময়ে বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু হত্যার পর তাদের পরিবারকে এভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

সংগঠনটির প্রতিনিধি সুমন রায় বলেন, দীপু দাসকে যেদিন হত্যা করা হয়, সেদিন হামলার শিকার ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কিন্তু সার্বিকভাবে রাষ্ট্র হাদিকে যেভাবে গুরুত্ব দিয়েছে, সেভাবে দীপু দাসকে দেখেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ কুমার হালদারসহ আরও কয়েকজন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা। পরে তার মরদেহ বিবস্ত্র করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই অপু দাস ১৯ ডিসেম্বর বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত দীপু চন্দ্র দাস জেলার তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি দুই বছর ধরে ভালুকার জামিরদিয়া পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানিতে কাজ করছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!