× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে আগুন, গ্রেপ্তার আরও এক আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মো. সোহেল রানা (৩৪) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার পরও তিনি একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গ্রেপ্তার সোহেল রানা টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার মহাইল গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে। তিনি পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।

রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে শনিবার রাত ৮টার দিকে ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

প্রাথমিক তদন্ত ও অন্যান্য আসামিদের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার দিন সোহেল রানা দীপু চন্দ্র দাসকে ফ্যাক্টরির ফ্লোর থেকে গার্ডরুমে নেওয়ার সময় সরাসরি মারধরে অংশ নেন।

তিনি ফ্যাক্টরির ভেতরে কর্মীদের উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে উত্তেজিত করে তোলেন এবং দীপু দাসের মরদেহের ওপর নির্যাতনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। উপস্থিত জনতাকে সহিংসতায় উৎসাহিত করার পেছনেও তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মো. আল মামুন বলেন, সোহেল রানা পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস লিমিটেড কারখানায় এখনো অপারেটর হিসেবে কর্মরত। তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানার নাম উঠে আসে। এ নিয়ে দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

ভালুকার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে কারখানা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তার ভাই অপু চন্দ্র দাস অজ্ঞাত পরিচয়ে ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

নিহত দীপু চন্দ্র দাস ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কারখানায় কাজ করছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!