× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৬ গ্রাম প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত ৬টি গ্রামের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ধান ও সবজির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

সূত্র জানায়, উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের অন্তত ৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার রাতে পাহাড়ি ঢলের পানি বোরারঘাট নদীর বাঁধে সৃষ্ট ভাঙনের অংশ দিয়ে গ্রামগুলোতে প্রবেশ করে। এতে গ্রামগুলোর বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বোরো ধান, ভুট্টা ও বাদামের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোরারঘাট নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে নদীর বাঁধ উপচে ও মধ্য বোয়ালমারা এলাকায় ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি প্রবেশ করে আশপাশের বোয়ালমারা, মহাজনীকান্দা, পাগলাবাজার, পূর্ব কালিনিকান্দা ও আনচেংগ্রী গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে ওইসব এলাকার আবাদি বোরো ধান পানির নিচে চলে যায়। এসব গ্রামের নিচু এলাকার ঘরবাড়িতে হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

আনচেংগ্রী গ্রামের কৃষক আ. মজিদ বলেন, ‘সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমাদের গ্রাম। কয়েকদিনের মধ্যে বোরো ধান গাছ থেকে ছড়া বের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঢলে ধান পানির নিচে চলে গেছে। এতে দুশ্চিন্তা কাটছে না। পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে।’

বোয়ালমারা এলাকার মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘মধ্য বোয়ালমারা এলাকায় নদীর বাঁধ কয়েক বছর আগে ভেঙে যায়। কিন্তু মেরামত না করায় অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খুব দ্রুত পানি উঠে যায়। এই বাঁধ দ্রুত মেরামতের দাবি জানাই।’

বোয়ালমারা এলাকার সুশান্ত সাংমা বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বিগত কয়েক দশক ধরে গারো অধ্যুষিত হওয়ায় এ এলাকার কোনো রাস্তাঘাট বা বেড়িবাঁধ উন্নয়নের কাজ হয়নি। জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতার কারণে হাজার হাজার একর জমির ফসল- বোরো ধান, বাদাম, ভুট্টাসহ রবি শস্য প্রায় প্রতি বছরই বিলীন হয়ে যায়।’

জুয়েল রানা বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে বোরারঘাট বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে পাহাড়ি ঢলে মসজিদ, কবরস্থান, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। জানি না আর কতদিন এই দুর্ভোগ পোহাতে হবে।’

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাত বলেন, ‘বোরারঘাট বাঁধটি দুই বছর আগে ভেঙে গিয়েছিল। এটি স্থায়ীভাবে মেরামতের জন্য কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Link copied!