× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

অ্যাম্বুলেন্স চালকদের সড়ক অবরোধ, মরদেহ নিয়ে স্বজনদের অপেক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবৈধভাবে পার্কিংয়ে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্স চালককে জরিমানা করাকে কেন্দ্র করে প্রধান গেটের সামনের সড়কে অ্যাম্বুলেন্স রেখে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন রোগী ও সাধারণ মানুষ। অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা মায়ের মরদেহ নিয়ে হাসপাতালের সামনে অপেক্ষায় ছিলেন স্বজনরা।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় তিন ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাসপাতাল অংশে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা পর পুলিশ সড়ক থেকে অবরোধ সরিয়ে দিলেও হাসপাতাল এলাকার সব বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক সেবা বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় তিন ঘণ্টা পর অ্যাম্বুলেন্স চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একটি অ্যাম্বুলেন্সকে জরিমানা করা হয়।

এর প্রতিবাদে বেলা ২টার দিকে চালক ও শ্রমিকেরা অ্যাম্বুলেন্স আড়াআড়িভাবে রেখে সড়ক অবরোধ করেন। এতে চরপাড়া মোড় থেকে মাসকান্দা পর্যন্ত এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরে বেলা সোয়া ৩টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। তবে সড়ক ছেড়ে দিলেও হাসপাতাল এলাকায় সব অ্যাম্বুলেন্স চলাচল বন্ধ করে দেন চালকেরা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. সোহেল মিয়া বলেন, পুলিশ আগে সড়কের পাশে দাঁড়ানোর জায়গা দিলেও এখন নতুন প্রশাসন তা দিচ্ছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে গাড়ি জব্দ ও মামলা দেওয়া হচ্ছে। অল্প সময় দাঁড়ালেও মামলা ও আটক করা হচ্ছে।

অ্যাম্বুলেন্স শ্রমিক সমিতির সাবেক সহসম্পাদক মো. সজীব বলেন, হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে অ্যাম্বুলেন্স রাখার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। সড়কে রাখলেই মামলা দেওয়া হচ্ছে, গাড়ি পুলিশ লাইনে নেওয়া হচ্ছে। গত ঈদের পর থেকেই এই পরিস্থিতি চলছে। স্থায়ী জায়গা না দিলে আমরা অ্যাম্বুলেন্স চালাব না।

পরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে এসে চালক-শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় সোয়া ৪টার দিকে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!