× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

‘রুবেল আমার সব শেষ করে দিছে’ জানিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

অভিযুক্ত রুবেল মিয়া

অভিযুক্ত রুবেল মিয়া

ময়মনসিংহের ফুলপুরে দুই সন্তানের জনকের সঙ্গে অনৈতিক অবস্থায় দেখে ফেলায় ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরী কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল মিয়া পলাতক।

রোববার (২৭ মার্চ) উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের বড় শুনই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই দিন রাতেই কিশোরী কীটনাশক পান করে। পরে সোমবার (৩০ মার্চ) ভোররাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কিশোরী মারা যায়।

কিশোরী ও রুবেল মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তারা একে অপরের প্রতিবেশী। রুবেল মিয়া দুই সন্তানের বাবা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় রুবেল মিয়াকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার দিন রাতে ওই কিশোরীর দাদি রাত ১০টার দিকে নাতনিকে ঘরে না পেয়ে খুঁজতে বের হলে বাড়ির পাশে জলাশয়ের পরিত্যক্ত জায়গায় তাদের একসাথে অনৈতিক অবস্থায় দেখতে পাযন। দাদির উপস্থিতি টের পেয়ে দুজনেই পালিয়ে যায়। একটু পরে ওই কিশোরী বাড়িতে এসে তার দাদিকে জানায়, রুবেল আমার সব শেষ করে দিছে, এই জীবন দিয়ে আমি কী করব? এবং এই সময় সে কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক (বিষ) খেয়েছে বলে জানায় এবং তখনই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, বিষপানে অসুস্থ অবস্থায় রোববার রাত ১১টার পর কিশোরীকে প্রথমে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপালে ভর্তি করা হয়। পরে ভোররাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কিশোরী মারা যায়। পরে ওই দিন ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর মরদেহ নিয়ে থানার সামনে গিয়ে স্বজনেরা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় পুলিশ মরদেহ দাফনের পর থানায় আসার জন্য পরামর্শ দিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠান। রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিহত কিশোরীর মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহ দাফন করে থানায় মামলা করার জন্য আসেন।

ফুলপুর থানার ওসি রাশেদুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ওই কিশোরীর সাথে অনৈতিক কাজ করছিলেন। মেয়েটির স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে থানায় আসলে তাদের বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। মরদেহ দাফন শেষে পরিবারের লোকজন থানায় আসলে রাতেই মামলা মামলা নেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রুবেল মিয়া পলাতক রয়েছেন। অভিযুক্ত রুবেলকে ধরার চেষ্টা চলছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!