× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

সাংবাদিক লাল মিয়ার নামে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে জিলু গ্রেপ্তার, জেলহাজতে প্রেরণ

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবনগর এলাকার বাসিন্দা কথিত এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়ার নামে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর ও অশালীন মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার ডিবির ওপর ন্যস্ত হলে তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই মো. আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে একটি দল দিনব্যাপী অভিযান চালায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে পুরাতন থানার সামনের একটি মার্কেট থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, তার নিজস্ব আইডি এবং একাধিক ফেক আইডি থেকে সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়ার বিরুদ্ধে অশালীন ও আপত্তিকর পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরদিন বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পৌর শহরের জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়ার বিরুদ্ধে হবিবনগর এলাকার বাসিন্দা তনজব আলীর ছেলে আমিনুর রহমান জিলুসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি প্রায় দুই মাস আগে থেকে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি খুলে বিভিন্ন মহলে অশ্লীল, অশালীন এবং মানহানিকর পোস্ট ও মন্তব্য প্রচার করে আসছিল।

এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া জগন্নাথপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৮ মে থেকে ওই চক্রটি পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং ‘সাংবাদিক জিলু’ নামের একটি আইডি থেকে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে তার পেশাগত সুনাম নষ্ট ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একের পর এক পোস্ট দিতে থাকে।

এ ছাড়া সরকার অনুমোদনবিহীন ‘জগন্নাথপুর টিভি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি কাল্পনিক সংবাদ প্রচার করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনালের আশ্রয় নেন।

আদালত অভিযোগের নথিপত্র পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জগন্নাথপুর থানাকে নিয়মিত মামলা রুজুর নির্দেশ দেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমিনুর রহমান জিলু উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের তনজব আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। ‘জগন্নাথপুর টিভি’ নামের একটি ফেসবুকভিত্তিক চ্যানেলের পরিচয়ে তিনি এলাকায় চলাফেরা করতেন।

অভিযোগ রয়েছে, এলাকার সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাদের সম্মানহানি এবং ফেক আইডির মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন তিনি।

এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ‘জগন্নাথপুর টিভি’ নামের ফেসবুক পেজটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Link copied!