× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ 

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

বিপাকে দুই উপজেলার মানুষ

১৯ শতাংশ জমির জটিলতায় আটকে আছে ৮ কোটির কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ 

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মাত্র ১৯ শতাংশ জমির জটিলতায় আটকে আছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সেতুর নির্মাণকাজের বাকি অংশ। সেতুর প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও ভূমি অধিগ্রহণ সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে প্রকল্পটি।

দুই দফা সময় বাড়িয়েও কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। সেতুটি ত্রিশাল উপজেলা ও ফুলবাড়িয়া সংযোগ সড়কের পোড়াবাড়ী বাজার এলাকায় খিরু নদীর ওপর নির্মাণাধীন।

সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে ১৯ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় রয়েছে। প্রতি শতাংশ জমির মূল্য ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। ওয়ারিশসহ জমির মালিক রয়েছেন ২০-২২ জন। এ কারণে ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।

এদিকে পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।

স্থানীয়রা জানান, খিরু নদীর এক পাশে ত্রিশাল উপজেলা এবং অন্য পাশে ফুলবাড়িয়া উপজেলা। ৮০-এর দশকে এখানে একটি বেইলি সেতু নির্মাণ করা হয়, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারে এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

২০২২ সালে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে পুরোনো সেতুর পাশে নতুন সেতু নির্মাণ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রায় ৭০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। কাজটি পায় এমসিই-এমএলএম (জেভি) নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু জমি অধিগ্রহণ জটিলতা নিরসন না হওয়ায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে দুই উপজেলার লাখো মানুষকে প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় জামাল উদ্দিন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এই বেইলি সেতুই আমাদের একমাত্র ভরসা। সেতুতে উঠলেই ভয় লাগে, বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

মঠবাড়ী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, সেতু পার হতে ভয় লাগে, মনে হয় যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে। তবুও প্রতিদিন স্কুলে যেতে হচ্ছে।

সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম। বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত নতুন সেতু চালু করা জরুরি।

জমির মালিক বাসন্তী রানী চৌধুরী বলেন, আমার তিন শতক জমি অধিগ্রহণে পড়েছে। এখনো টাকা পাইনি, তাই জমি ছাড়ছি না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মকবুল হোসেন জানান, জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলেই দ্রুত সেতুর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

এলজিইডির ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়ের হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। জমির মূল্য নির্ধারণ ও পরিমাপ কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুত বাকি কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!