× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, মামলার ৮ দিনে চার্জশিট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশু নিসা মনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর পানিতে ফেলে হত্যা মামলায় আট দিনে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় চীফ জুডিশিয়াল আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিট গ্রহণ করেন চীফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক তনয় সাহা।

আসামিরা হলেন- ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের রমজান আলীর ছেলে মারুফ মিয়া (১৬), দোলাল মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া (১৯), সাইদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম মিয়া (১৮) ও তাহের উদ্দিনের ছেলে রাকিব মিয়া (২১)।

ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, পাঁচ বছর বয়সী শিশুটিকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার জনকে আসামি করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, মামলার ৪ আসামিকে দুইজন করে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবার আদালতে তুলা হলে বিচারক তনয় সাহার কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে বিচারক চার জনের একজন মারুফের বয়স ১৬ বছর হওয়ায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে ও অপর তিন জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪:জুন বিকালে জেলার ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের নিজ বাড়ির পাশ থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিসা মনি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শিশুটির বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় লোকজন কংস নদের বাঁকে তল্লাশি চালিয়ে নিসা মনির মরদেহ নদীর তলদেশে পুঁতা অবস্থায় খুঁজে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে উদ্ধার করেন। রাতেই মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করাতে নেওয়া হয়। তখন শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে ক্ষত দেখা যায়। ওই অবস্থায় দাফনের প্রস্তুতি বন্ধ রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

এ ঘটনার পরদিন রাতে শিশুর বাবা বাদি হয়ে ধোবাউড়া থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করলেও এলাকার মারুফ মিয়া, আরিফ মিয়া, রাকিব মিয়া ও মো. সাঈম মিয়াকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, আমরা খুব দ্রুততর সময়ের মধ্যেই ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ রিপোর্ট পেয়েছি এবং যাচাই বাছাই শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছি। তারা প্রত্যেকের সম্পৃক্ততা যে স্বীকার করেছে এবং তার আলোকে আমরা সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছি এবং সেই আলোকে আমরা এই চার্জশিটটা দাখিল করেছি। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে যেন প্রত্যেকের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

নিসা মনি উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের রাজু ওরফে লাক মিয়ার মেয়ে।

Link copied!