× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

প্রতিবন্ধী কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

রায়হান মিয়া (২০) । ছবি : সংগৃহীত

রায়হান মিয়া (২০) । ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি রায়হান মিয়াকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নান্দাইল থানা পুলিশের সহযোগিতায় নান্দাইল উপজেলার চর শ্রীরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ি থেকে রায়হান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তাকে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত রায়হান মিয়া নান্দাইল উপজেলার চর শ্রীরামপুর গ্রামের সাহাদ উল্লাহর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের ভাটিচর নওপাড়া গ্রামের এক বাসিন্দার শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী ১৫ বছরের মেয়েকে গত বছরের ২৫ নভেম্বর রায়হান মিয়া ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিপক্ষের হুমকি-ধমকির মুখে পড়ে বাদীর পরিবার। গত ১৭ জুলাই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হলে তারা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। ভুক্তভোগী পরিবার গত ২০ জুলাই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে লিখিত আবেদন করে। এর ফলশ্রুতিতে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রায়হান মিয়াকে (২০) গ্রেপ্তার করে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রাশেদ মোশাররফ জানান, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান আসামি রায়হান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Link copied!