× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

নির্যাতনের অভিযোগে এএসপির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কমিটি

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণ ও বাস চলক বাদল। ছবি- সংগৃহীত

এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণ ও বাস চলক বাদল। ছবি- সংগৃহীত

নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্যামলী রানী বর্মণের বিরুদ্ধে এক বাসচালককে নিজ কার্যালয়ে ডেকে এনে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে নেমেছে জেলা পুলিশ। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ‘পুলিশ মিডিয়া গ্রুপ’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো লিখিত বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৪ জানুয়ারি নওগাঁ জেলার সাপাহার সার্কেলের এক সহকারী পুলিশ সুপার ও একজন বাসচালকের মধ্যে সংঘটিত একটি অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি পুলিশ সুপারের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হিমাচল পরিবহনের চালক বাদল ও সুপারভাইজার সিয়ামের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাপাহার থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে একটি যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে যায়। ওই বাসে যাত্রী হিসেবে ওঠেন সাপাহার সার্কেলের এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণের স্বামী ও কলেজ শিক্ষক জয়ন্ত বর্মণ। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কোনো টিকিট না কেটেই ধানসুরা এলাকায় নামতে চান।

বাসটি দিঘার মোড়ে পৌঁছালে যে সিটে জয়ন্ত বর্মণ বসেছিলেন, সেই সিটের নির্ধারিত যাত্রী বাসে ওঠেন। এ সময় সিট ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান সুপারভাইজার সিয়াম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জয়ন্ত বর্মণ এবং নিজেকে সার্কেল এএসপির স্বামী পরিচয় দিয়ে সুপারভাইজারকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে চালকের সঙ্গেও তার তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তিনি ধানসুরা এলাকায় নেমে যান।

এরপর একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাসটি সাপাহারে ফিরে এলে চালক বাদলকে বাসস্ট্যান্ড থেকে সার্কেল অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে পৌঁছানোর পর চালকের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণ ও তার স্বামী মিলে তাকে শারীরিকভাবে মারধর করেন। পরে আহত অবস্থায় চালক বাদল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, বাসে তার স্বামীর সঙ্গে চালক ও সুপারভাইজার দুর্ব্যবহার করেছিলেন। এ কারণে রাতে তাদের অফিসে ডাকা হয়। সেখানে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করেন এবং পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তার দাবি, ঘটনাটি মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝির ফল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!