× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৯:০৮ এএম

কন্যাসন্তানকে নদীতে ফেলে থানায় গিয়ে মায়ের আত্মসমর্পণ

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৯:০৮ এএম

কন্যাসন্তানকে নদীতে ফেলে দেওয়ার পর ওই মা নিজেই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে নিজের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। ছবি : সংগৃহীত

কন্যাসন্তানকে নদীতে ফেলে দেওয়ার পর ওই মা নিজেই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে নিজের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। ছবি : সংগৃহীত

নওগাঁর পত্নীতলায় এক মায়ের বিরুদ্ধে তার ১৬ মাস বয়সী নিজের কন্যাসন্তানকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর ওই মা নিজেই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে নিজের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে পত্নীতলা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে শিশুটি পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এবং শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুনতাহীন নামে এক নারী থানায় এসে জানান, তিনি তার ১৬ মাস বয়সী কন্যাশিশুকে মাহমুদপুর ব্রিজ থেকে আত্রাই নদীতে ফেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশের কাছে নিজের গ্রেপ্তারের দাবি করেন।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে খমির শেখ নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে নদীর পানি থেকে উদ্ধার করে প্রাথমিক শুশ্রূষা করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বলেন, আমার স্ত্রী কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, একজন মা থানায় এসে জানান, তিনি তার ১৬ মাস বয়সী সন্তানকে আত্রাই নদীতে ফেলে দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলি। জানতে পারি, তিনি সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। 

তিনি আরও বলেন, পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে শিশুটি শঙ্কামুক্ত বলে জানান তিনি।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়ে শিশুটিকে দেখে এসেছি। শিশুটিকে উদ্ধারকারী ব্যক্তিকে পুলিশের পক্ষ থেকে আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারা শিশুটির নিরাপত্তা এবং মায়ের মানসিক চিকিৎসার বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। 

Link copied!