× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

১২ ফেব্রুয়ারি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চান জামায়াত আমির

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নড়াইলে নির্বাচনি জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, ‘আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বা বিশেষ কোনো শ্রেণির মানুষের বিজয় চাই না। আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আর এই ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হলে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।’

তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৫৪ বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে বারবার সুযোগ পেয়ে নিজেরাই ক্ষমতাবান হয়েছে, জনগণকে ক্ষমতায়িত করেনি। পূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল, জনগণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যাদের তাড়িয়েছেন। যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ২৪-এ ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমেছিল, রক্ত দিয়েছিল, তাদের সে আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। তাদের সে আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে প্রকৃত গণতন্ত্র মানুষের মুক্তি আসবে না।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে নড়াইল-১ ও নড়াইল-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ কায়সার ও আতাউর রহমান বাচ্চুর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।

এ সময় মাঠজুড়ে উপস্থিত হাজারো নেতাকর্মী, সর্মথকরা বিভিন্ন স্লোগান নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার, বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, জামায়াত আমিরের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে জনসভাস্থল।

এর আগে, জনসভাকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই নড়াইল জেলার হাজারো নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে মাঠে জড়ো হন। এ সময় বক্তব্য রাখেন, জামায়াত ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা। জনসভা ঘিরে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!