দেশের অন্যতম বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনায় কারখানার উৎপাদন স্থগিত করা হয়েছে।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ খান জানান, বন্ধ হওয়ার পর কারখানায় এখন মাত্র ৫৫ হাজার ৬১৮ টন ইউরিয়া সার মজুত আছে। উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২৮০০ টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর কারখানার নির্মাণ ও কমিশনিং শেষ হওয়ার পর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় এবং ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। কারখানার নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা, যা বিদেশি অর্থ সহায়তায় ১০ বছরের চুক্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।
কারখানা সূত্র জানায়, প্রতিবছর চার কিস্তিতে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পরিশোধ করে দেনা মিটিয়ে আসছে। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকায় কিস্তি পরিশোধে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
কারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাস সরবরাহ থাকলে উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে চালানো যায়। ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস থাকলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা সম্ভব। কারখানা কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ পুনঃস্থাপন করলে উৎপাদন আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন