× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

তড়কা রোগে আক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে অসুস্থ ১২, রামেকে ভর্তি ৩

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চলনালী গ্রামে তড়কা রোগে আক্রান্ত একটি গরু জবাই করে মাংস খাওয়ার পর অন্তত ১০ থেকে ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়ার মতো ফোলা দেখা দিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে চলনালী গ্রামের মৃত মাঙ্গনের ছেলে আব্দুল গফুর সরকারের একটি গরু হঠাৎ পেট ফেঁপে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে গ্রামের কয়েকজন মিলে গরুটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নেন। গরুর মাংস কাটাকাটি, রান্না ও খাওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকদিন পর অসুস্থতা দেখা দেয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়ার মতো ফোলা তৈরি হয়।

অসুস্থদের মধ্যে একই গ্রামের রহিম, মোস্তফা, আসাদ, ছানা, রাহুল ও লাভলীসহ কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমাছ আলী জানান, ‘চলনালী গ্রামের ছয়জন রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রোগের প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তড়কা রোগে আক্রান্ত গরুর মাংস খাওয়া বা স্পর্শ করার কারণে তারা অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘অসুস্থ গরু জবাই করার বিষয়টি আগে প্রাণিসম্পদ দপ্তরকে জানানো হয়নি। প্রাথমিকভাবে এটি তড়কা রোগ বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, ‘গত বছর উপজেলায় প্রায় ২৫ হাজার গরুকে তড়কা রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি জানার পর চলনালী গ্রামের গবাদিপশুকে দ্রুত টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় দুই হাজার গরুকে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জবাই করা গরুর কিছু মাংস সংরক্ষিত ছিল। প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপস্থিতিতে সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো গবাদিপশু অসুস্থ হলে গোপনে জবাই না করে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।’

Link copied!