× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

অফিস সহকারীর প্রতারণা, নাটোরে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি ৮ শিক্ষার্থী

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি নাটোরের লালপুরের আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী। কলেজের এক অফিস সহকারী ফরম পূরণের টাকা নিয়েও তা বোর্ডে জমা না দেওয়ায় প্রবেশপত্র পায়নি ওই ৮ শিক্ষার্থী। ফলে তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য তারা কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের কাছে টাকা জমা দেন। তিনি ফরম পূরণ করা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করলেও পরে জানা যায়, শিক্ষা বোর্ডে তাদের ফি জমা দেওয়া হয়নি। ফলে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরীক্ষার আগের দিন থেকেই অভিযুক্ত অফিস সহকারী কলেজে অনুপস্থিত এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান সূচি বলেন, অনলাইনে ফরম পূরণে জটিলতা হওয়ায় আমি অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমার ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৩,৫০০ টাকা নেন। এরপর কয়েকদিন ধরে প্রবেশপত্র দেওয়ার কথা বলে ঘোরাতে থাকেন। পরীক্ষার আগের দিন থেকে তার ফোন বন্ধ এবং তিনি কলেজেও আসছেন না। পরে জানতে পারি, আমার ফরমই পূরণ করা হয়নি। একজন কর্মচারীর এমন প্রতারণার কারণে আমার জীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হয়ে গেল। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

শুধু ইসরাত জাহান নন, একই প্রতারণার শিকার হয়েছেন আরও সাত শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীরা হলেন- সবুজ আহম্মেদ, শিমুল শেখ, আকিবুল, শিমুল, শাওন, সাব্বির এবং তানভির হোসেন। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূচির বাবা ইমামুল হক বলেন, একটি মানুষের অবহেলা ও প্রতারণার কারণে আমার মেয়ের উচ্চশিক্ষার পথ বাধাগ্রস্ত হলো। আমরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, অমিত সরকার অনলাইন ফরম পূরণে সমস্যার কথা বলে তাদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেন কিন্তু কোনো রশিদ দেননি। পরে যোগাযোগ করলে কাজ চলছে বলে আশ্বাস দিলেও অবশেষে তাদের ফরম পূরণ করেননি।

এ বিষয়ে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মামুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম, কিন্তু বোর্ডের বিধি অনুযায়ী শেষ মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে অধ্যক্ষ জানান, টাকা দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষই তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!