× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ১২:১৮ এএম

১১ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে নীরব মাদ্রাসা শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ১২:১৮ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় করা মামলার আসামি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। আসামি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য দেননি বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

বুধবার (৬ মে) নগরের আকুয়া বাইপাস এলাকায় র‍্যাব-১৪ র কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহ অধিনায়ক নয়মুল হাসান।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‍্যাব-১৪-এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার পর ওই শিক্ষক গাজীপুর, টঙ্গী ও পরে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আত্মগোপনে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার এড়াতে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। মুঠোফোনও ব্যবহার করছিলেন না। গোয়েন্দা নজরদারিতে তার অবস্থান শনাক্ত করার পর গৌরীপুরের সোনামপুরে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য দেননি। তাকে দুপুরে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ প্রয়োজনে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে লেখাপড়া করত। শিশুটির বাবা তার মাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় জীবিকার তাগিদে মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।

সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ বোধ করছিল এবং তার মধ্যে শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। পরে তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি জানতে পারেন।

পরে গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।

পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এর মধ্যে অজ্ঞাত স্থান থেকে গত মঙ্গলবার ওই শিক্ষকের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এদিকে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওই শিক্ষার্থীর অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক বিভিন্ন হুমকি পাচ্ছেন এবং তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি নজরে আসলে র‍্যাব অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা চিকিৎসক হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। তার নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি এবং চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

এ ছাড়া একটি ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে যে তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয় বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গ্রেপ্তার আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর মদন উপজেলার একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশুটি একই এলাকার বাসিন্দা। সে তার নানির সঙ্গে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!