× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:০১ পিএম

এলজিইডির সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:০১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক সংস্কারাধীন একটি সড়কে নিম্নমানের কাজ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, পুরোনো কার্পেটিং না তুলে নতুন করে সড়ক সংস্কার করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই টেকসই নয়। তারা আশঙ্কা করছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি পুনরায় নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

জানা গেছে, ভূঞাপুর উপজেলার চর-আলোয়া থেকে চরনিকলা পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য এলজিইডি একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় এক কোটি এক লাখ টাকা। পরে দরপত্রের মাধ্যমে মেসার্স চান শোভা এন্টারপ্রাইজ ৯৫ লাখ ৫২ হাজার টাকায় কাজটি পায়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প অনুযায়ী বালুমিশ্রিত খোয়া ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে তা করা হচ্ছে না। পুরোনো কার্পেটিং রেখেই সংস্কারকাজ চলছে। পাশাপাশি সড়কের প্যালাসাইট (গাইড ওয়াল) নির্মাণেও চরম অনিয়ম ঘটানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের নামে দায়সারা কাজ চলছে। রোলার থাকলেও যথাযথভাবে রোলিং করা হচ্ছে না। নতুন খোয়া বা বালু ব্যবহার না করায় সড়কের মান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যথাযথ তদারকির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্বিঘ্নে অনিয়ম করছে বলেও অভিযোগ তাদের। সড়কে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, তারা এলজিইডি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন।

অন্যদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. হারুন বলেন, প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী নতুন খোয়া ব্যবহারের সুযোগ নেই। পুরোনো সড়ক ভেঙে নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে।

উপজেলা এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগে বক্তব্য দিতে গড়িমসি করেছেন। তিনি বলেন, আমি সেই অফিসার না যে সাংবাদিক পরিচয় দিলেই বক্তব্য দেব।

সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে, দায়সারা কাজ ও অনিয়মের মধ্যে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক কতটা স্থায়ী হবে?

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!