× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

দরিদ্র নরসুন্দর সনজিদের হার্টের ভাল্‌ভ নষ্ট, সাহায্যের আবেদন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম

সনজিদ চরণ দাস। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সনজিদ চরণ দাস। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া গ্রামের ৪১ বছর বয়সী সনজিদ চরণ দাস। পেশায় তিনি নরসুন্দর, স্যালুনে কাজ করেই চালান পাঁচজনের সংসার। নিজের বাড়ি নেই। মন্দিরের জায়গায় ভাঙাচোরা টিন দিয়ে দোচালা ঘর তুলে কোনোরকমে বসবাস করছেন বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও ছোট্ট দুই সন্তানকে নিয়ে।

সেই ভাঙা ঘরের টিনের ফাঁক গলে যখন ঠিকরে পড়ছে আলো, তখন সনজিদের জীবন প্রদীপ নিভু নিভু। ছয় মাস আগে ডাক্তার বলে দিয়েছেন, সনজিদের ভাল্‌ভ নষ্ট হয়ে বড় হয়ে গেছে হার্ট, ছিদ্র হয়ে গেছে রক্তনালি।

ব্যয়বহুল এমন রোগের কথা শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লেও সামান্য যা সম্বল ছিল, তাই নিয়ে চিকিৎসার জন্য চলে যান ইন্ডিয়া। সেখান থেকেও ডাক্তার বলে দিয়েছেন, তিন মাসের মধ্যে অপারেশন করতে হবে। যার জন্য খরচ হবে ১২/১৩ লাখ টাকা।

সামান্য নাপিতের কাজ করা সহায়-সম্বলহীন সনজিদের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। সামান্য রোজগারে বৃদ্ধ মা আর স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চললেও উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছোট্ট দুই শিশুর পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে একমাত্র উপার্জনক্ষম সনজিদের এ অবস্থার জন্য দুবেলা খাবার জোগানও কঠিন হয়ে গেছে পরিবারের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মলিন বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে অসুস্থ সনজিদ আর পাশে বসে পাখা দিয়ে বাতাস ঠেলছে স্ত্রী লিপি রানী দাস। অজানা এক আতঙ্কে হাতের পাখাটাও ভারী হয়ে গেছে তার।

একরাশ হতাশা আর অজানা আশঙ্কা নিয়ে সনজিদের স্ত্রী লিপি রানী বলেন, দারিদ্র‍্য তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হলেও পাঁচজনের সংসারে একমাত্র ভরসা স্বামী। সেই স্বামী অসুস্থ হওয়ায় চারদিক তার অন্ধকার। বিত্তবানদের আর্থিক সহযোগিতায় তার স্বামী সুস্থ হলে অবুঝ সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকার অবলম্বন পাবেন।

অপরদিকে সনজিদের বৃদ্ধ মা সন্তানের এমন দুরবস্থা দেখে কাঁদতে কাঁদতে শুকিয়ে ফেলেছেন চোখের জল। গভীর হতাশা নিয়ে কেবল ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে সন্তানের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা কামনা করেন মানুষের।

এদিকে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া সনজিদের স্কুলপড়ুয়া ছেলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানায়, তার বাবাকে সুস্থ করতে অনেক টাকা লাগবে। তাই বাবার সুস্থতার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চায়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!