× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

রাজশাহীতে এখনো কোরবানির হাটে নেই ভিড়, আশায় খামারি ও ইজারাদাররা

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজশাহীর বিভিন্ন পশুর হাটে গরু উঠতে শুরু করেছে। তবে এখনো কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার দেখা মিলছে না। খামারি ও ব্যাপারিরা বলছেন, হাটে মানুষ এলেও বেশিরভাগই শুধু দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে হাটে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনা জমে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আর সপ্তাহ খানেক পরই উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানিকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরেই পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছোট-বড় খামারিরা। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে গরু উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না থাকায় কিছুটা হতাশ বিক্রেতারা।

রাজশাহীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট ‘সিটি হাট’-এ সপ্তাহে দুই দিন—রোববার ও বুধবার হাট বসছে। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসায় আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন হাট বসবে বলে জানিয়েছেন ইজারাদাররা। শুধু সিটি হাট নয়, সোনাইচণ্ডী হাট, কাঁকনহাট, দামকুড়াহাট, সাবাইহাট, বানেশ্বরহাট, কাটাখালীহাট, নওহাটাহাট, কেশরহাট, তাহেরপুর হাট ও চৌবাড়িয়া হাটেও এখনো জমে ওঠেনি কেনাবেচা।

বুধবার (২০ মে) সিটি হাট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন আকারের গরু নিয়ে এসেছেন খামারি ও ব্যাপারিরা। হাটে দুই মণ ওজনের গরু থেকে শুরু করে বিশাল আকৃতির গরুও রয়েছে। তবে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

হাটে ছোট আকারের গরুর দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ১ লাখ টাকা থেকে। মাঝারি গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতাদের দাবি, প্রতিকেজি মাংসের দাম হিসাব করে গরুর মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। চার মণ ওজনের একটি গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে দেড় লাখ টাকা এবং তিন মণ ওজনের গরুর দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

তানোর উপজেলার নারায়ণপুর থেকে দুটি গরু নিয়ে আসা  কোরবান আলী বলেন, ‘আজ প্রথম হাটে এসেছি। দুটি গরুরই ওজন প্রায় ছয় মণ হবে। প্রতিটির দাম চাচ্ছি আড়াই লাখ টাকা। সোয়া দুই লাখ পেলেই বিক্রি করে দেব।’

আরেক বিক্রেতা ইয়াসিন আলী বলেন, ‘খামারে চারটি গরুর মধ্যে তিনটি কোরবানির উপযোগী। এখনো ক্রেতা কম। অনেকে এসে শুধু দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন।’

হাটের বাইরে অনেকেই সরাসরি খামার বা বাড়ি থেকে গরু কিনছেন। বড় খামারগুলোতে লাইভ ওয়েট অনুযায়ী প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে গরু বিক্রি হচ্ছে। খামারিদের দাবি, গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার পশু পালন খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি পশু। বিপরীতে স্থানীয় চাহিদা রয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫৮টি পশুর। ফলে প্রায় ৯২ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে।

গত বছর জেলায় মোট পশু সরবরাহ ছিল ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৩টি এবং চাহিদা ছিল ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪৩৭টি।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতোয়ার রহমান বলেন, ‘খামারিরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে পশুর হাটগুলোতে নজরদারি ও মনিটরিং জোরদার করা হবে। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ বিভাগ খামারিদের চিকিৎসা ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।’

রাজশাহী সিটি হাটের ইজারাদার শওকত আলী জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন হাট বসবে। এখনো ক্রেতা কম থাকলেও ঈদের কাছাকাছি সময়ে বেচাকেনা বাড়বে। হাটে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ টিম কাজ করছে।

Link copied!