× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

পৌষের তীব্র শীতেও বড়াল নদীতে মাছ ধরার উৎসব

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বিলুপ্তির পথে এক সময়ের চিরচেনা গ্রামবাংলার জনপ্রিয় ‘পলো’ দিয়ে মাছ ধরার উৎসব। তলাবিহীন কলসির আদলে বাঁশ ও বেতের সংমিশ্রণে ছোট ছোট ছিদ্র রেখে শৈল্পিকভাবে মাছ ধরার এই যন্ত্রটি তৈরি করা হয়। আবহমান বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের মতো পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল নদীতে পলো দিয়ে মাছ ধরা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল নদীতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে বাউত উৎসবে মাছ শিকার। লোকজ রীতিতে হৈহুলোরে নদীর জলে মনের আনন্দে দিনভর চলে মাছ শিকার।

এ দিন মাছ ধরার নানা উপকরণ নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আসা নানা বয়সের কয়েক’শ মানুষ অংশ নেয়। একসঙ্গে নদীতে নেমে লোকজ রীতিতে মনের আনন্দে চলে মাছ শিকার। শৌখিন মাছ শিকারিরা একত্রিত হয়ে সারিবদ্ধভাবে পলো, ঠেলাজাল, বেড়াজাল দিয়ে মাছ শিকার করেন। এসময় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ শোল, বোয়াল, গজার, রুই, কাতলা, চিতল মাছ ধরা পড়ে। বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে নদী পাড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌষের তীব্র শীত উপেক্ষা করে বড়াল নদীর হাঁটু পানিতে পলো দিয়ে মাছ ধরছেন শত শত মৎস্য শিকারী। অধিকাংশ পলোর মধ্যে বোয়াল মাছ ধরা পড়ছে। তরুণ থেকে শুরু বয়স্করাও এক সাথে মাছ ধরছেন পলো দিয়ে। সৌখিন এমন মানুষের মাছ ধরা দেখছেন নদী পাড়ের লোকজন। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি তুলছেন, ভিডিও করে রাখছেন। বিশেষ করে, স্থানীয় পলোতে বড় বোয়াল মাছ ধরা পড়া দেখে আনন্দে মেতে ওঠে স্থানীয় শিশুরা।

বড়াল নদীতে মাছ ধরতে আসা বাউত উৎসবের মৎস্য শিকারি পাবনার চাটমোহর উপজেলার পৈলানপুর গ্রামের আক্কাস আলী বলেন, শখের বসে পলো দিয়ে মাছ ধরেন তারা। বড়াল নদীতে মাছ শিকারে আসলে কেউ খালি হাতে ফেরেন না। চলনবিলের বিভিন্ন নদীর পানি নামার পর থেকে দল বেঁধে মাছ ধরেন। আজ এখানে-কাল ওখানে। পলোতে বোয়াল, রুই, শোল, আইড়সহ বিভিন্ন মাছ ধরা পাওয়া যায়। গত বছরের তুলনায় এবার মাছও বেশী পাওয়া গেছে। 

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে পুনরায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে তাকে আবারও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে ৩ জনকে আটক করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলমান এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।’

নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডকে পূর্বপরিকল্পিত উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Link copied!