× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

ঈশ্বরদী থানা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঈশ্বরদী থানা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তর পাড়ার চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক শরিফুল ইসলামকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ জানান, নিহত দাদি সুফিয়া বেগম সম্পর্কে গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম (৩০) তার আপন খালাতো ভাগনে।

খালা সুফিয়া বেগমের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াতের সুবাদে তার যুবতী নাতনি জামিলা ওরফে সেতুর প্রতি শরিফুলের কুনজর পড়ে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সুফিয়া বেগমের বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে রাত ১১টার দিকে শরিফুল সেখানে যান। তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে সুফিয়া বেগমকে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান।

এ সময় শরিফুল ঘরে ঢুকে নাতনি জামিলা ওরফে সেতুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সেতু চিৎকার করলে বাঁশের খুঁটি ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে আঘাত করেন শরিফুল। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

পরে তাকে টেনে পাশের গমখেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান শরিফুল।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির উঠান থেকে সুফিয়া বেগমের মরদেহ এবং পাশের গমখেত থেকে জামিলা ওরফে সেতুর মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ভবানীপুর উত্তর পাড়ার নুরুল মণ্ডলের ছেলে রাব্বি মণ্ডল ও একই এলাকার মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পরে দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপর আটক রাব্বি মণ্ডলকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে নিহত সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছিল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!