ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দুমকিতে শীতের প্রকোপে জনজীবন বিপর্যস্ত

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৫:০৬ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর দুমকিতে তীব্র শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গভীর রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে গ্রামীণ জনপদ। সেই সাথে বৃষ্টির মতো পড়ছে শিশির। উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা কনকনে বাতাস বইছে। দুর্ভোগে পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশু। প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে সর্বস্তরের জনসাধারণ। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধিতে বৃদ্ধ ও শিশু আক্রান্ত হচ্ছে সর্দি-কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে দুমকিতে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরে দুমকি উপজেলায় সবচেয়ে কম।

সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টায় শীতার্ত মানুষ। সকালে শীতের তীব্রতায় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা চালকরা জবুথবু হয়ে শীতের মোটা পোশাক পরে রাস্তায় নামছে। তবে রাস্তায় যাত্রী সংখ্যা খুব কম বলে তারা জানান।

উপজেলার চরগরব্দী ফেরিঘাট এলাকার অটোচালক আবুল কাশেম জানান, শীতের তীব্রতার মাঝেও পেটের দায়ে রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু রাস্তায় যাত্রী কম। দুমকি থানাব্রিজ এলাকার মোটরসাইকেল চালক মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রচণ্ড শীত পড়ায় রাস্তায় নামা সম্ভব হচ্ছে না এবং যাত্রী নেই বললেই চলে।

সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ নুরুল হক খান বলেন, চলতি বছরে হঠাৎ শীত বৃদ্ধি পাওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। শীত পড়ায় চলাফেরা কষ্ট।

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস‌ও ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহিন বলেন, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে সর্দি-কাশি, ঠান্ডাজনিত রোগ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ ছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।