ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড ১৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

কুয়াকাটা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুরবনে কালবৈশাখী ঝড়ে শুটকি, খাবার হোটেল, ঝিনুক ও ফিস ফ্রাইসহ জেলেদের বাসা মিলিয়ে মোট ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে। সবাই তারাবির নামাজ শেষে কদরের ইবাদতে ব্যস্ত সময়েই ঝড়ো বাতাস শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী ঝড়ে ক্ষুদ্র এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তছনছ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ করছেন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, নাসির জোমাদ্দার, নাসির আকন, আলাউদ্দিন জোমাদ্দার, মহিবুল জোমাদ্দার, রাসল জোমাদ্দার, মালেক মৃধা, ইকবাল, জহিরুল ইসলাম, নুর আলম, রাকিব জোমাদ্দার, সিদ্দিক মৃধা, নাইম আকন, মামুন সিকদার, আসলাম, শাহালম ও ইয়াসিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৭টি দোকান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত রাকিব জোমাদ্দার বলেন, সমুদ্রের কোলঘেঁষে আমাদের শুটকির দোকান। সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে রাতে কদরের ইবাদতে মসজিদে ছিলাম। মোনাজাতের সময় হঠাৎ ঝড় উঠেছে। এতে আমার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ফিস ফ্রাইয়ের দোকানদার নুর আলম জানান, আমার ফিস ফ্রাইয়ের দোকানটি ঝড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঈদের আগে এমন ক্ষতি আমাদের চিন্তায় ফেলেছে।

মহিপুর থানা যুবদল নেতা আলী আক্কাস বলেন, লেম্বুর বন এলাকায় অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পর্যটক নির্ভর এসব ব্যবসা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এসব পরিবারের ঈদ আনন্দ ধুলোয় মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারি সহায়তা পেলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারতেন।