× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, ফেরিঘাটে চাপ ও ভোগান্তি বাড়ছে

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি শেষে আবারও কর্মব্যস্ত জীবনে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানী ঢাকার পথে যাত্রা করতে গিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দেখা দিয়েছে যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ। সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাট এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে।

বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি চোখে পড়ে বুকিং কাউন্টারের সামনে। নদী পারাপারের জন্য টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। দুপুরের পর পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে, ফলে ভোগান্তি বাড়ছে।

ঘাটে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক অভিযোগ করে বলেন, আশপাশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের সংকট থাকায় যাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।

এদিকে, যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামাল দিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি চালু রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। পাশাপাশি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই নৌপথে ১৬টি লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করেছে।

যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে বিশেষ নজরদারি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক জেসানুল ইসলাম তপু জানান, ঈদের আগেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের এই চাপ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগই এখন সবচেয়ে বড় ভরসা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!