× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম

রাজশাহী জেলা আ.লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে ছাত্রলীগের স্লোগান

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম

ছাত্রলীগের কর্মীরা রাজশাহীতে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছাত্রলীগের কর্মীরা রাজশাহীতে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীতে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে স্লোগান দিতে দেখা গেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজশাহী নগরের সন্নিকটে সিটিহাট এলাকায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। দুর্বৃত্তরা ভবনের দরজা-জানালা এমনকি ইট পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টার দিকে ১২ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তাদের মধ্যে চারজন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন। এ সময় দুজনকে মাস্ক ও একজনকে হেলমেট পরা অবস্থায় দেখা যায়; অন্য একজনের মুখ খোলা ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ এবং রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাসিক দত্তের নামে স্লোগান দেন। পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘এমন ঘটনার বিষয়টি আমার জানা নেই। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হলেও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। পুলিশ অবগত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতো।’

Link copied!