× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:১৬ পিএম

গমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় চাষির মুখে হাসি

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:১৬ পিএম

সবুজ গম ক্ষেত। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সবুজ গম ক্ষেত। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বরেন্দ্র অঞ্চলের তানোর উপজেলায় গম চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, ফলে চাষির মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর তানোরে ব্যাপক পরিমাণে গম চাষ করা হয়েছে। সবুজ পাতার সমারোহে বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠজুড়ে মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

চাষিরা আশা করছেন, এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ মণ গম ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বাজারেও গমের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা এ বছর গম চাষ করেছেন, তারা ভালো স্বাবলম্বী হওয়ারও সম্ভাবনা দেখছেন।

জানা গেছে, অনেক কৃষক আমন ধান তোলার পর আলু বা সরিষা রোপণ না করে গম চাষ করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ঘুরে দেখা গেছে, গম চাষের সমারোহ। মাঠজুড়ে গমের সবুজ পাতা শোভাবর্ধক। অল্প কিছুদিনের মধ্যে গমে পাক ধরতে শুরু করবে।

কালের বিবর্তনে গম চাষ দিন দিন কমে আসছিল। এক সময় তানোর উপজেলার প্রতিটি মাঠে ব্যাপক পরিমাণে গম চাষ করা হতো। বর্তমানে কৃষকেরা আলু চাষের দিকে বেশি ঝুঁকছেন, ফলে গম চাষ কমে গেছে।

উপজেলার কলমা ইউনিয়নের চৌরখৈল মাঠে গম চাষি হাসান বলেন, গত বছর গম চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছি। আড়াই বিঘা জমিতে গম চাষ করে ৩১ মণ গম হয়েছে। আশা করছি, এ বছরও ফলন ভালো হবে।

একই এলাকার গম চাষি সোহাগ আলী, রিপন আলী ও মিজানুর রহমান জানান, তারা এ বছর আলু চাষ না করে সেই জমিতে গম চাষ করেছেন। গমের গাছও খুব ভালো হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে গম চাষে খরচ হয়েছে ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা।

তবে সার ও বিষের দাম বেশি না হলে খরচ আরও কম হতো। এবার গম চাষে তেমন রোগবালাই দেখা যায়নি, তবে ইঁদুরের আক্রমণ বেড়েছে। ইঁদুর গমের গাছ কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে।

চাষিরা জানাচ্ছেন, কৃষি দপ্তর থেকেও তারা তেমন কোনো কার্যকর পরামর্শ পাচ্ছেন না। ফলে গমে পাক ধরার শেষ সময়ে ইঁদুরের উপদ্রবে চাষিরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

তানোর উপজেলা কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করে জানা যায়, এ বছর উপজেলাজুড়ে কত হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছে এবং উপসহকারী কর্মকর্তারা চাষিদের মধ্যে তথ্য পৌঁছে দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!