সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন হাওরের ফসলি জমি ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায়।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটা থেকে উপজেলার ধানকুনিয়া, টঙ্গী বাঁধ, চন্দ্র সোনার থাল, জয়ধুনা, সোনামোড়ল হাওড় পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসায়দ বিন খলিল রাহাত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল হক, এস এম রহমত, সদস্য মুজিবুর রহমান মজুমদারসহ পিআইসির সভাপতি ও সম্পাদকসহ স্থানীয়রা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন হাওরের নিচু ফসলি জমিতে বাঁধের ভিতরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা যাবে না, কারণ নদীতে পাহাড়ি ঢলের জোয়ার এসেছে। বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশন করলে নদী থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি ফসল রক্ষা বাঁধের ভিতরে ঢুকে আরও বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাঁধগুলো মজবুত আছে। সেচের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব পানি নিষ্কাশন করা যাবে। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বড় ধরনের কোন সমস্যা হবে না।

