× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত কামারশিল্পীরা

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

কর্মরত কামারীরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কর্মরত কামারীরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে কামারশিল্পীদের কর্মব্যস্ততা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আগুনের ভাটিতে লোহা পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কোরবানির প্রয়োজনীয় দা, ছুরি, বটি, চাপাতি ও ধামাসহ নানা সরঞ্জাম। কামারশালাগুলোতে এখন টুংটাং শব্দে মুখর পরিবেশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিয়ানীবাজার পৌরশহর, বৈরাগীবাজার, দুবাগসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কামারশিল্পীদের যেন দম ফেলারও ফুরসত নেই। স্থানীয় বাজার থেকে লোহা সংগ্রহ করে আগুনে তপ্ত করে হাতুড়ির আঘাতে তৈরি করা হচ্ছে কোরবানির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধারালো সরঞ্জাম। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এসব পণ্য উপজেলার বাইরের বিভিন্ন এলাকাতেও পাইকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে।

কামারশিল্পীরা জানান, বছরের অন্যান্য সময় কাজের চাপ কম থাকলেও ঈদুল আজহা এলেই তাদের ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই সময়টাতে বাড়তি আয়ের আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করেন তারা। কারণ, কোরবানির মৌসুমের উপার্জনের ওপরই অনেকটা নির্ভর করে তাদের সারা বছরের সংসার।

বিয়ানীবাজারের কামারশিল্পী পতন বাবু বলেন, ‘একসময় কামারদের কাজের অনেক কদর ছিল। এখন আধুনিক মেশিনে তৈরি সরঞ্জামের কারণে আমাদের তৈরি জিনিসের চাহিদা কমে গেছে। দিন দিন মানুষ হাতে তৈরি জিনিস থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো একদিন এই পেশাই হারিয়ে যাবে।’

বৈরাগীবাজারের এক কামারশিল্পী বলেন, ‘এ পেশা আমাদের পূর্বপুরুষদের। সারা বছর তেমন কাজ হয় না। কোরবানির ঈদ এলেই কিছুটা ভালো আয় হয়। তখন যা উপার্জন করি, তা দিয়েই বছরের বাকি সময় চলার চেষ্টা করি।’

দুবাগ বাজারের আরেক কামারশিল্পী আক্ষেপ করে বলেন, ‘এই পেশার মানুষ খুবই অবহেলিত। কঠোর পরিশ্রম করেও সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তবে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কিছুটা বাড়তি আয় করার সুযোগ পাই।’

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ঐতিহ্যবাহী কামারশিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় আধুনিকতার চাপে একসময় হারিয়ে যেতে পারে শত বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও পেশা।

Link copied!