× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১০:১১ পিএম

কিশোরীর আত্মহত্যা; ঠাঁই মেলেনি সামাজিক কবরস্থানে, নদীর পাড়েই দাফন

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১০:১১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ তুলে এক কিশোরীর লাশ সামাজিক কবরস্থানে দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বাধ্য হয়ে ওই কিশোরী গৃহবধূর স্বামীর পরিবার চাপড়ী বাজারসংলগ্ন বংশাই নদীর ধারে মরদেহ দাফন করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত কিশোরী গৃহবধূর নাম সুমাইয়া খাতুন (১৭)। তিনি উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের দড়িহাতীল গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সুমাইয়া খাতুন আত্মহত্যা করেছে বলে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে মধুপুর থানায় অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বামী রাসেল মিয়ার বাড়িতে আনা হলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে বাবার বাড়ির লোকজন স্বামীর বাড়ি ত্যাগ করে চলে যায়।

এরপর সমাজের একাংশ আত্মহত্যার অভিযোগ তুলে মৃতদেহ সামাজিক কবরস্থানে দাফন করতে বাধা দেয়। এতে করে দাফন নিয়ে চরম বিপাকে পড়ে স্বামীর পরিবার। শেষ পর্যন্ত কোনো উপায় না পেয়ে তারা চাপড়ী বাজার সংলগ্ন বংশাই নদীর ধারে লাশ দাফন করে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মধুপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য। একজন মৃত মানুষকে দাফনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা মানবিকতার চরম লঙ্ঘন। সমাজবাসীর আরও সচেতন হওয়া উচিত ছিল।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সচেতন মহল মনে করছে, মৃত্যু যেভাবেই হোক না কেন একটি মরদেহের প্রতি এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসীর একাংশ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!