টাঙ্গাইলের মধুপুর জাতীয় উদ্যানের দোখলা সদর বিটের অরণখোলা মৌজার ভূটিয়া (আমলীতলা) এলাকায় সরকারি সংরক্ষিত বনভূমিতে পাকা দালান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনায় খবর পেয়ে মধুপুর উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মধুপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নঈম উদ্দিন।
তার নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনার বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা না করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাত দিনের সময় দেওয়া হয়।
এ সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত লিটন মিয়া, নাজমা বেগম ও লুৎফুন নাহার লতাকে তাদের ক্রয়কৃত জমির মালিকানার বৈধ কাগজপত্রসহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রেখে সময় দেওয়ায় স্থানীয় বনপ্রেমী ও সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে বনভূমি দখলের প্রবণতা আরও বেড়ে যেতে পারে।
এতে মধুপুর জাতীয় উদ্যানের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বন সংরক্ষক (উত্তর) রানা দেব, দোখলা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা সাব্বির হোসেন, মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মোশারফ হোসেনসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী। এছাড়া মধুপুর থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়দের দাবি, সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায় প্রশাসনকে আরও কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ দখল ও নির্মাণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন