ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতুর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে এলেঙ্গা-পৌলি পর্যন্ত এই যানজট দেখা দেয়। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে মোট ৪০ হাজার ৫৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫০ টাকা। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৫ হাজার ৪৪৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে, ঢাকাগামী ২৫ হাজার ১৩২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যার বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৫০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং সেতুর ওপর ও সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যমুনা সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে আলাদা দুটি বুথ দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। দ্রুতই যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন