× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ১২:১০ পিএম

হাতিরঝিল থেকে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ১২:১০ পিএম

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর হাতিরঝিলের ওয়্যারলেস এলাকায় একটি বাসা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। 

শিশু দুইজন হলো- ১০ বছর বয়সী আফরিদা চৌধুরী ও তার এক বছর বয়সী ছোট ভাই ইলহাম চৌধুরী। 

স্থানীয়দের এবং পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ২ শিশু সন্তানসহ তাদের বাবা মা খাবার খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন শনিবার সকালে মেয়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় রাসমনো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে পরিবার যখন তার মরদেহ বাসায় নিয়ে আসে এরপর ছেলেটিও বমি করা শুরু করে। অসুস্থ হয়ে পড়া দেখে পরবর্তীতে তাকে মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ছেলে শিশুটি। 

শিশুদের চাচা তৌহিদ আলম চৌধুরী বলেন, আফরিদা বেইলি রোডের ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৬ ডিসেম্বর আফরিদার জন্মদিন ছিল। বাবা-মা দুই সন্তানকে নিয়ে বাইরে কোনো এক রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়েছিলেন। চার দিন পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই খাবার খেয়ে নাকি অন্য কোনো খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছেন তা আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে জানতে পারব।

হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে শনিবার রাতে ওয়্যারলেস মোড় এলাকার ৯১ নম্বর এসএইচএস টাওয়ারের নিচে গ্যারেজে রাখা একটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। তবে তাদের শরীরে কোনো রকমের জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। 

তিনি বলেন, একই খাবার খেয়ে তাদের বাবা মাও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে তারা চিকিৎসা শেষে সুস্থ আছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফুড পয়জনিংয়ের কারণে শিশু দুইটির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ওই খাবার তারা বাসায় রান্না করেছিলেন নাকি বাইরে থেকে কিনে এনেছিলেন তা এখনো জানতে পারিনি। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!