রাজধানীর ভাটারা থানাধীন কুড়িল মৃধাবাড়ি এলাকায় পাঁচ বছর বয়সি ননদকে হত্যা করেছে ভাবি। শিশুর নাম আরিফা। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ গুম করতে বাসার পানির ট্যাংকিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভাবি খাদিজা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা থানার সিদুল কুড়া গ্রামে মোহাম্মদ রাজীবের মেয়ে আরিফা। তারা বর্তমানে ভাটারার কুড়িল মৃধাবাড়ী জহিরের বাসায় ভাড়া থাকতেন, তিন ভাইবোনের মধ্যে আরিফা ছিল ছোট। সে প্লেতে পড়ত।
ভাটারা থানার এসআই মওদুদ কামাল বলেন, শিশুটির পরিবারের সঙ্গে একই বাড়িতে পাশাপাশি রুমে স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন তার বড় ভাই হাসান। শিশুটি ভাইয়ের কাছে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের খাবার কিনে দিতে আবদার করত। ভাইও বোনের আবদার মেটাতে খাবার কিনে দিতেন। বিষয়টি নিয়ে ভাবি খাদিজা রাগ করতেন। বোনকে আদর করার কারণে তিনি স্বামীকে সব সময় বকাবকি করতেন।
নিহত আরিফার ভাই হাসান জানান, আমার বোনকে পরশু একটি পুতুল ও প্লাস্টিকের ফুল কিনে দিয়েছি। এই নিয়ে আমার স্ত্রী খাদিজা ভীষণ রেগে গিয়ে বলে আমাকে কিনে দিলে না কেন, সেই হিংসা থেকে বোনকে হত্যা করেছে।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনার জেরেই বুধবার সকালে শিশু খাদিজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ভাবি। পরে লাশ গুম করতে ওই বাসার পানির ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।
এদিকে দিনভর শিশুটিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর কোথাও পাওয়া যায়নি। পরে বিকেলের দিকে বাড়ির লোকজন পানির ট্যাংকিতে গিয়ে শিশুটির লাশ দেখতে পায়।


