× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ০১:৪৬ এএম

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা মঈন এক নম্বর আসামি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ০১:৪৬ এএম

যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন

যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন। এতে মঈন উদ্দিনকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে তেজগাঁও বিভাগের শেরেবাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও সাত-আটজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন উদ্দিন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।

এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল সকালে শ্যামলী ৩ নম্বর সড়কে বাদীর বাসার সামনে এসে আসামিরা দরজা খুলতে বলেন। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন উদ্দিন তাকে পাঁচ লাখ টাকা দিতে চাপ দেন এবং না দিলে ক্ষতির হুমকি দেন। এ সময় বাদীর স্ত্রী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন।

পরিস্থিতি খারাপের আশঙ্কায় বাদী তার ছোট ভাইকে বাসায় আসতে বলেন। পরে তিনি এসে পৌঁছালে আসামিরা ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোক জড়ো করেন। একপর্যায়ে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল সিকেডি হাসপাতালের সামনে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।

তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন, গালাগালি করেন এবং পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। এ সময় হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক স্লোগানও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরে খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!