× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

অতিবৃষ্টিতে সবজির দামে আগুন, শসার কেজি ২০০ টাকা!

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও দেশের কয়েক জায়গায় সৃষ্ট বন্যার কারণে জনজীবনের মতো প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারেও। জলাবদ্ধতা আর সরবরাহ কমায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক সবজির দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে ডিম ও মাছের দামও। তবে মুরগির বাজারে রয়েছে কিছুটা স্থিতিশীলতা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকার সবজি সময়মতো রাজধানীতে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। কেজিপ্রতি সবজির দামে ৪০-৬০ টাকার বেশি তারতম্য দেখা গেছে।

বর্তমানে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়। দুই এক জায়গায় অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকার ওপরেও। এছাড়া শসা ২০০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় অনেক সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গা থেকে সবজি ঠিকমতো আসছে না। যে পরিমাণ সবজি আসছে, তা চাহিদার তুলনায় কম। তাই পাইকারিতেই দাম বেড়েছে, খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

আরেক বিক্রেতা মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, রাস্তাঘাটে পানি জমে থাকায় পরিবহনেও সমস্যা হয়েছে। অনেক গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

সবজির বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। বাজার করতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগেও যে শসা ১০০ টাকার আশপাশে ছিল, এখন ২০০ টাকা। প্রায় সব সবজির একই অবস্থা। বৃষ্টির অজুহাতে প্রতিবারই দাম বেড়ে যায়, কিন্তু কমতে অনেক সময় লাগে।

গৃহিণী নাসরিন আক্তার বলেন, এখন বাজারে এসে হিসাব করে সবজি কিনতে হয়। আগে চার-পাঁচ রকম সবজি কিনতাম, এখন দুই-তিন রকম নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায়, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।

তবে ডিমের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। আর প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, খামার থেকেই ডিম বেশি দামে আসছে। তাই আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে মাছের বাজারেও বেড়েছে দাম। বর্তমানে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ টাকা, চাষের কৈ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মাছ পরিবহন ও সরবরাহে কিছুটা সমস্যা হওয়ায় কয়েকটি প্রজাতির মাছের দাম বেড়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!