ঢাকা রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে জাগো ফাউন্ডেশন ও অ্যাকমি এআই’র এআই লিটারেসি সেশন

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক গার্লস ইন আইসিটি ডে ২০২৬ উপলক্ষে অ্যাকমি এআই লিমিটেড এবং জাগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর কড়াইল স্কুলে কিশোরী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি এআই লিটারেসি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পর্কে মৌলিক ধারণা দেওয়া এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।

সেশনে শুধু এআই কী—সেই পরিচিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ শেখার পরিবেশ তৈরি করা হয়। এতে তারা জানতে পারে, এআই কীভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের কর্মজীবনের বিভিন্ন সুযোগকে প্রভাবিত করছে। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল এআই-এর মৌলিক ধারণা, নৈতিক ব্যবহার, নিরাপত্তা, ঝুঁকি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সচেতন ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার গুরুত্ব।

আয়োজকরা জানান, কৌতূহল ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই সেশন শিক্ষার্থীদের এআই-এর সম্ভাবনা ও ঝুঁকি সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা দেয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রস্তুত হতে সহায়তা করে।

অ্যাকমি এআই লিমিটেডের স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট লিড সুমাইয়া সিদ্দিকি বলেন, মেয়েদের এআই সম্পর্কে জানানো শুধু প্রযুক্তি শেখানো নয়, এটি অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষমতায়নের বিষয়। যখন তারা এআই কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হয় তা বোঝে, তখন তারা ডিজিটাল বিশ্ব গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। এই উদ্যোগ তাদেরকে প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয়, বরং নির্মাতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

জাগো ফাউন্ডেশনের লিড, ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট অপূর্ব কর্মকার বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হওয়া জরুরি। শিক্ষাব্যবস্থায় এআই লিটারেসি অন্তর্ভুক্ত করা মানে আমাদের শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে মেয়েদের, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা। এ ধরনের অংশীদারিত্ব ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাগো ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। পাশাপাশি ডিজিটাল শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষাগত বৈষম্য কমানোর উদ্যোগও অব্যাহত রেখেছে।

আয়োজকদের মতে, এই যৌথ উদ্যোগ মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির প্রতি তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। কারণ, সঠিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে মেয়েরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারই করে না, ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নির্মাণেও নেতৃত্ব দিতে পারে।