× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

নানা আয়োজনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্‌যাপন

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্ণ করে ৫৬ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উদযাপন করা হয়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় পুরাতন কলা ভবনের সামনে মৃৎমঞ্চে প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও উদ্বোধনী ভাষণের মাধ্যমে দিবসটির সূচনা করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। উদ্বোধনের পর শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ ড. মো. আবদুর রবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান।

উদ্বোধনী ভাষণে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘ পথপরিক্রমার মধ্য দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে এটি প্রায় ৩০ হাজার সদস্যের একটি বৃহৎ পরিবারে পরিণত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এবং সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপাচার্য, উপ-উপাচার্যদ্বয়, কোষাধ্যক্ষ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও ছাত্র কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং জাকসু নেতারা বক্তব্য রাখেন।

দিবসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাগিণী সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাঁধনের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্মৃতিচারণ, পুতুল নাচ, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি হ্যান্ডবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জাকসুর উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান, র‍্যাম্প শো এবং ইনস্ট্রুমেন্টাল ও ব্যান্ড সংগীত পরিবেশিত হয়।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া চত্বরে পিঠা মেলা এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আলপনা ও গ্রাফিতি প্রদর্শন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আহসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন। এর আগে ১৯৭০-৭১ শিক্ষাবর্ষে অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত ও পরিসংখ্যান—এই চারটি বিভাগে প্রথম ব্যাচে ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. সুরত আলী খান এবং বিশিষ্ট রসায়নবিদ অধ্যাপক ড. মফিজ উদ্দিন আহমদ ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়মিতভাবে ১২ জানুয়ারিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।

Link copied!