ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

৫০তম বিসিএস প্রিলি ৩০ জানুয়ারি, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ছবি- সংগৃহীত

দেশের বেসরকারি ও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের পথ হিসেবে বিবেচিত ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত একযোগে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা  অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পরীক্ষার তারিখের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা’ দেওয়া হয়েছে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে আসন বিন্যাস সাজানোর কারণে পরীক্ষার্থীরা তাদের আসন খুঁজতে কিছুটা সময় নিতে পারেন। তাই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অর্থাৎ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ৯টা ৩০ মিনিটের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষা কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পিএসসি জানিয়েছে, পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কঠোর নিরাপত্তা ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পরীক্ষা হলে নিম্নলিখিত সামগ্রী পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে:

  • সব ধরনের ঘড়ি (অ্যানালগ ও ডিজিটাল)
  • মোবাইল ফোন ও সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইস
  • বই, পুস্তক ও ক্যালকুলেটর
  • ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড সদৃশ যেকোনো ডিভাইস
  • গহনা, ব্রেসলেট, ব্যাগ ও মানিব্যাগ

পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার আগে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র যাচাই এবং মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি সম্পন্ন হবে। এ ছাড়া, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় কানের ওপর কোনো আবরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ, বিশেষ প্রয়োজন হলে হিয়ারিং এইড ব্যবহারের জন্য কমিশনের পূর্ব অনুমতি নিতে হবে।

প্রার্থিতা বাতিল ও কঠোর শাস্তি

পিএসসি সতর্ক করে জানায়, নিষিদ্ধ সামগ্রী পরীক্ষা হলে পাওয়া গেলে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হবে। এ ছাড়া, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালা-২০১৪ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ অনুযায়ী, ওই প্রার্থী ভবিষ্যতের সকল কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হবে এবং বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির বিধান রয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের ফোনে খুদে বার্তা (এসএমএস)-এর মাধ্যমে পরীক্ষার নির্দেশনাসমূহ পাঠানো হবে। এ ছাড়া এবারের হাজিরা তালিকায় রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোড় ও বিজোড় এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে।