× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দ্বন্দ্বে অস্থির পবিপ্রবির প্রশাসন

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের দ্বন্দ্বে প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বরে পবিপ্রবির ৫৭তম রিজেন্ট বোর্ড সভা এবং একই সময়ে অনুষ্ঠিত পদোন্নতির বাছাই বোর্ডকে কেন্দ্র করেই এই বিরোধের সূত্রপাত।

উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, রিজেন্ট বোর্ডে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি, সেগুলোও বোর্ডের নাম ব্যবহার করে অফিস আদেশ জারি করে কার্যকর করেছেন উপাচার্য।

এ ছাড়া ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ২১ জনের পদোন্নতি ও পর্যায়োন্নয়ন বিধিবহির্ভূতভাবে স্থগিত রেখে মাত্র তিনজনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বাছাই বোর্ডের সুপারিশের পর উপাচার্য নতুন করে আরেকটি কমিটি গঠন করেন, যা বিধিমালার পরিপন্থি বলে দাবি উপ-উপাচার্যের। ওই কমিটি পুনরায় আবেদন ও ব্যক্তিগত নথি যাচাই করে ২৪ জনের পরিবর্তে মাত্র তিনজনকে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করে।

এদিকে রিজেন্ট বোর্ডে শিক্ষক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলামের পদোন্নতি এবং অধ্যাপক জামাল হোসেনের স্ত্রী জিনাত নাসরিন সুলতানার সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ আটকে গেলে উপাচার্য ও উপাচার্যপন্থিদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়। এরপর বিজয় দিবসে তারা আলাদাভাবে অনুষ্ঠান করেন। এ ছাড়া ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তা করার ঘটনাও ঘটে।

পরে রেজিস্ট্রার পদত্যাগ করলে উপাচার্য ১ জানুয়ারি নতুন রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেন। এর চার দিন পরই কৃষি অনুষদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন ডিন অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে আরও অস্থিরতা দেখা দেয়।

এদিকে উপ-উপাচার্যপন্থিরা তাদের অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে সুরাহার জন্য ভিসিকে আলটিমেটাম দিয়ে তার বাসভবনে তালা দেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন।

নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে পাল্টা যুক্তি তুলে ধরেছেন পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, সাধারণ নিয়মে সিএস অনুসারে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের পদোন্নতির কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এর দুদিন পরই দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি টিম ক্যাম্পাসে আসে। তারা পদোন্নতির জন্য আবেদন করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল নিয়োগের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করে এবং নথিপত্র সংগ্রহ করে।

পরে মূল নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা খুঁজতে একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত করে ১১০ জন কর্মচারীর মধ্যে সাতজন এবং ৩৪ কর্মকর্তার মধ্যে ৩১ জনের নিয়োগে অনিয়ম খুঁজে পায়। যে কারণে তাদের পদোন্নতির বিষয়টি ঝুলে যায়।

শিক্ষক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলামের পদোন্নতি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য ন্যূনতম চার বছর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। কিন্তু এ বি এম সাইফুলের অভিজ্ঞতা রয়েছে মাত্র চার মাস। সে কারণে তাকে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব নয়।

অধ্যাপক জামাল হোসেনের স্ত্রী বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে কিছু জটিলতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে রিজেন্ট বোর্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, তার কাছ থেকে বিধিবহির্ভূত সুবিধা না নিতে পেরে বিভিন্ন হুমকি-ধমকিসহ নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে তিনি নিয়ম ও আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করবেন না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!