× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

১৬ মার্চ ঈদ বোনাস পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মরত প্রায় ৬ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উৎসব ভাতার প্রস্তাব ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, আগামী বুধবার (১১ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উৎসব ভাতার প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রস্তাবটি আইবাস সিস্টেমে পাঠানো হবে।

মাউশির কর্মকর্তারা জানান, সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী বৃহস্পতিবার অর্থ ছাড়ের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এরপর ব্যাংকে অর্থ পাঠানো হলে শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে উৎসব ভাতার টাকা তুলতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ছাড়ের চেষ্টা করছি। আশা করছি আগামী রোববার তারা উৎসব ভাতার অর্থ ব্যাংক থেকে তুলতে পারবেন।’

জানা গেছে, প্রতি মাসে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব অনলাইনে দাখিল করেন। এরপর তা যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন-ভাতার অর্থ ছাড় করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এদিকে গত ৫ মার্চ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে দেওয়া উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা সেবার মান উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব। তবে অতীতে অবকাঠামো খাতে বেশি ব্যয়ের কারণে শিক্ষা খাতের বাজেট তুলনামূলকভাবে সংকুচিত হয়েছে, যার ফলে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে বৈষম্য তৈরি হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো হলে শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা আরও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৬ লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। তারা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পান। ২০২৫–২৬ অর্থবছর থেকে এই ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। এর ফলে এখন বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হচ্ছে।

Link copied!