× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

ফের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন খবর দিল মাউশি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর দিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর উৎসব ভাতার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মাউশি থেকে পাঠানো উৎসব ভাতার প্রস্তাবে বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুমোদন দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে খুব শিগগিরই শিক্ষকরা উৎসব ভাতার টাকা উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

অনুমোদন পাওয়ার পরপরই মাউশি কর্তৃপক্ষ উৎসব ভাতার বিলসংক্রান্ত তথ্য সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার আইবাসে পাঠিয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উৎসব ভাতার টাকা জমা হবে।

মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষকদের ঈদ বোনাসসংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সেই প্রস্তাব আইবাসে পাঠিয়েছি। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় করতে সাধারণত একদিন সময় লাগে। এরপরই শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উৎসব ভাতার অর্থ পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, সব প্রক্রিয়া ঠিকভাবে সম্পন্ন হলে আগামী রোববারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের উৎসব ভাতা পেতে পারেন। 

মাউশি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান সম্পূর্ণভাবে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতার বিল অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেন। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তর তা যাচাই-বাছাই করে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি এখন অনেকটাই ডিজিটাল এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
 

Link copied!