× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম

১৭ মার্চ ঈদ বোনাস পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৫, ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মরত প্রায় ৬ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) তারা ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা পাবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, ইতোমধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের পরপরই উৎসব ভাতার তথ্য সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার আইবাসে পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হবে।

মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শিক্ষকদের ঈদ বোনাসের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। আমরা তা আইবাসে পাঠিয়েছি। একদিনের মধ্যে ব্যাংক থেকে অর্থ ছাড় হয়ে গেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে উৎসব ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।’

চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হলে আগামী ১৭ মার্চ শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের উৎসব ভাতা হাতে পাবেন। 

এদিকে, শিক্ষক সংগঠনগুলো শতভাগ বোনাসের দাবিতে অনড় থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে ঈদ বোনাস পাবার কথা থাকলেও এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ অনলাইনের মাধ্যমে বেতন ও ভাতার বিল জমা দেন। এরপর তা যাচাই-বাছাই করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল প্রক্রিয়ার কারণে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে প্রদান সম্ভব হচ্ছে। এটি শুধু শিক্ষক সমাজের কল্যাণই নিশ্চিত করছে না, বরং শিক্ষা খাতে পেশাদারিত্ব এবং মানোন্নয়নের জন্যও সহায়ক।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতা প্রদান করে থাকে। ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন বেতন-ভাতা প্রক্রিয়া দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য হয়েছে।

Link copied!