এবার শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য হচ্ছে আলাদা পে-স্কেল। এই পে-স্কেলের পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় এ কথা বলেন মন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা অন্য খাতের সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। এ ধরনের তুলনা থেকে বিভিন্ন জটিলতা, যেমন মামলা বা আন্দোলনের সৃষ্টি হতে পারে।
শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র পে-স্কেল চালু করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যা অন্য যেকোনও স্কেল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে— সেটি উচ্চ বা নিম্ন যাই হোক না কেন, মূল বিষয় হলো এর স্বতন্ত্রতা।
এ ছাড়া শিক্ষকদের উৎসবভাতা বাড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের উৎসবভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ১৭ বছর ধরে শিক্ষকদের উৎসবভাতা বাড়ানো হয়নি। তবে চলতি বছরে ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈদুল আজহার সময় এটি বাস্তবায়ন হতে পারে।
অনুষ্ঠানে একজন শিক্ষক মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় ধরে রাখতে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই জায়গাটিতে আমার মন্তব্য হলো আমরা ফিন্যান্সিয়ালি তাদেরকে আরও যে সাপোর্টটা দেব, এই সাপোর্টটা অন্যান্য স্কেলের সাথে তুলনা দিলে চলবে না। এই তুলনা দিলেই কেবল তুলনা চলতে থাকে, মামলা হতে থাকে, আন্দোলন হতে থাকে।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন