× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৪, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

যে কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা অনিশ্চিত

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৪, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

অবসর। ছবি : সংগৃহীত

অবসর। ছবি : সংগৃহীত

অবসরের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও অবসর ভাতা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই- এমন এক অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন দেশের হাজারো শিক্ষক ও কর্মচারী। অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিপুল আবেদন, তীব্র অর্থ সংকট এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বিপুল আবেদন, ভয়াবহ তহবিল

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে অবসর সুবিধা বোর্ডে ৬৪ হাজারেরও বেশি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন পরিশোধে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা, কিন্তু বিদ্যমান তহবিলে রয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টেও ৫১ হাজারের বেশি আবেদন ঝুলে আছে। এসব পরিশোধের জন্য প্রয়োজন ৪ হাজার ১৩২ কোটি টাকা, অথচ তহবিলে রয়েছে মাত্র ২৪৫ কোটি টাকা। ফলে দুই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ঘাটতি এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালনা কাঠামো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পরিষদ গঠনে কোনো পরিকল্পিত অগ্রগতি হয়নি, যা পুরো ব্যবস্থাপনাকে স্থবির করে রেখেছে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের উপপরিচালক অধ্যাপক নাহিদা চৌধুরী বলেন, ডিডিওশিপ না থাকায় আর্থিক ক্ষমতা প্রয়োগ সম্ভব হচ্ছে না।

তার ভাষায়, ‘আমরা যতটুকু কাজ করেছি, সেটাই আটকে আছে। এখান থেকেই নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।’

থমকে আছে কার্যক্রম

শুধু অর্থ ও প্রশাসনিক সংকট নয়, প্রযুক্তিগত সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। প্রায় এক বছর ধরে আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি অচল হয়ে আছে।

ফলে বর্তমানে সব আবেদন ম্যানুয়ালি যাচাই করতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আইটি কর্মকর্তা জানান, ‘ম্যানুয়ালি কাজ করতে হওয়ায় একটি লট সম্পন্ন করতে ৪০ থেকে ৪২ কার্যদিবস সময় লাগছে।’

নতুন সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রকল্পের অগ্রগতি ধীরগতিতে চলছে বলে জানা গেছে।

পরিস্থিতি স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ বলেন, শিগগিরই যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে একটি নতুন বোর্ড গঠন করা হবে। এই বোর্ডের মাধ্যমে আবেদনগুলো যাচাই করে যথাসময়ে সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।

Link copied!