আগের ডাকসুতেও অনেক ইশতেহার আমরা দেখেছি। নির্বাচনের পরে এসে ইশতেহার কতটা পূরণ করতে পেরেছে? ইশতেহার হচ্ছে প্রেমিকার কাছে প্রেমিকের করা সেই প্রতিশ্রুতি, যা মানুষ কখনোই বাস্তবায়ন করে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বতন্ত্র সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদপ্রার্থী মহিউদ্দিন রনি।
শুক্রবার (২৯ আসস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মহিউদ্দিন রনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে পরিকল্পনা নিয়ে প্রথম ১০০ দিনে ২০টি বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করব। চারটি গণশুনানির আয়োজন করব। আমি প্রথম ১০ দিনে আপনাদের জানাব আমাদের শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া, অধিকার এবং সেগুলোর আলোকে আমাদের কর্মসূচি।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা একটা ভয় ও ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভাবে যে, কেউ নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের কপালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণরুম, গেস্টরুম লেখা আছে! আবারও কি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সংস্কৃতি ফিরে আসবে? এই যে ভয় বা ট্রমা, আমাদের ভেতর থেকে এখনো কাটেনি।’
এই এজিএস প্রার্থী বলেন, ‘ডাকসু অনেক সম্ভাবনার দুয়ার। আমার কোনো লেজুড় নাই। অনেকের লেজুড় আছে বিভিন্ন ভবনে, কার্যালয়ে, সচিবালয়ে। আমার লেজুড়টা হলে হলে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এবং তাদের রুমে জমা দিতে আসছি। শিক্ষার্থীদের যতগুলো সংকট আছে, তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে অধিকার আদায় করে নেব।’
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন