× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৪:৩৪ এএম

আবেগাপ্লুত শান্তা আক্তার

‘হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে চাই— ভাই, আমি জিতে এসেছি’

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৪:৩৪ এএম

ওসমান হাদিকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত শান্তা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

ওসমান হাদিকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত শান্তা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব শান্তা আক্তার। জয়ী ঘোষণার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শান্তা আক্তার জানান, এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত নয়; বরং শহীদ ওসমান বিন হাদির বিশ্বাস ও শেষ ইচ্ছার প্রতিফলন।

শান্তা বলেন, নির্বাচনের আগে হাদি ভাই আমাকে ফোন করে বলেছিলেন— শান্তা, জিতে আইতে হবে। হাদি ভাইয়ের সেদিনের কথাই ছিল আমার লড়াইয়ের মূল অনুপ্রেরণা। এখন আমি কেবল হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে চাই—ভাই, আমি জিতে এসেছি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আমি পুরো সময় হাসপাতালেই ছিলাম। এ কারণে আমি শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়ার সুযোগ পাইনি। তবুও শিক্ষার্থীরা আমার পরিচয় ও বিশ্বাসের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমার অনিচ্ছাকৃত সীমাবদ্ধতার পরও তারা আমাকে চিনেছেন এবং ভোটের মাধ্যমে ভালোবাসা দিয়েছেন।

জয়ের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শান্তা বলেন, নির্বাচনী চাপের মাঝেও শিক্ষার্থীদের দেওয়া সাহস ও ভালোবাসাই আমাকে এ পর্যন্ত এগিয়ে এনেছে। আমি এখন আরও দৃঢ়ভাবে তাদের অধিকার রক্ষা ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।

তিনি আরও বলেন, এই জয় আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। নির্বাচিত হওয়ার পর আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করব। আমাদের লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধভাবে সব সমস্যার সমাধানে এগিয়ে যাওয়া। হাদির জীবন ও আত্মত্যাগ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি চাই তার স্বপ্ন বাস্তব হোক—একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও সচেতন ক্যাম্পাস, যেখানে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!