× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৩:০২ এএম

ঢাবিতে বঙ্গবন্ধু হলের নাম বদলে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৩:০২ এএম

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্যাম্পাসে দুটি আবাসিক হলসহ পাঁচটি স্থাপনা থেকে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নাম সরানোর সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। এ সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেটের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, নাম পরিবর্তনের সুপারিশ আসা পাঁচটি স্থাপনার মধ্যে দুটি আবাসিক হল রয়েছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহিদ ওসমান হাদী হল’ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম হল’ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল’ এবং দুটি স্টাফ কোয়ার্টার—‘রাসেল টাওয়ার’ ও ‘বঙ্গবন্ধু টাওয়ার’-এর নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা সিন্ডিকেট সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান ওই সিন্ডিকেট সদস্য। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিন্ডিকেটে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সিন্ডিকেট নিজে নাম পরিবর্তন করতে পারে না, তাই বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সিনেটের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে একই সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ।

তদন্তের মুখে পড়া চার শিক্ষক হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য সাদেকা হালিম, অধ্যাপক আ ক ম জামাল, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জিনাত হুদা এবং অধ্যাপক মশিউর রহমান।

প্রক্টর বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!