× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম

প্রকট হয়ে উঠেছে ডাকসুর সমন্বয়হীনতা : জুমা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা। ছবি- সংগৃহীত

ডাকসু একশো একটা সমস্যায় জর্জরিত থাকে। এই সব সমস্যার মাঝেও সবচেয়ে প্রকট হয়ে উঠেছে ডাকসুর সমন্বয়হীনতা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোষ্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পোষ্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লিখেন, ডাকসু একশো একটা সমস্যায় জর্জরিত থাকে। যেহেতু একচেটিয়া বিজয় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে, রীতিমতো পদে পদে বাঁধা তৈরি করা হয়। বিভিন্ন কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট প্রপোজাল দেওয়া হলেও ১ কোটি টাকার বিপরীতে আমাকে দেওয়া হয় ১০ লাখের অনুমোদন। তার মধ্যে বিগত ৬ মাসে পেয়েছি ১ লাখ টাকা। সদস্যরা বসার জায়গা পায়নি এখনো।

তিনি লিখেন, এর মধ্যে শিবির নিজস্ব সার্কেল ও সাংগঠনিক পরিচিতিকে ইউটিলাইজ করে বেশ অনেকগুলো কাজ করেছে। সম্পাদকদের মধ্যে সালমা আপু ও মোসাদ্দেক কাজ করেছে ভালো। সর্ব নিজের কায়িক শ্রম দিয়েছে সবচেয়ে বেশি। বাকিরা এদিক-ওদিক ধর্ণা দিয়েও ফলাফল শূন্য। হাউএভার, আমার স্ট্রেন্থের জায়গা অলওয়েজ মানুষ। আমার ব্যবসায়িক লেভেলে ভালো সার্কেল নাই, আবার কারো সাথে নিয়ে গিয়ে তদবির করার অভ্যাসও নাই। আমার আছে একটা তেজী মাথা, যেইটা ভুলভাল কিছু দেখলেই চেইতা উঠে। গালির ভাগ আছে, সুযোগ-সুবিধার ভাগ নাই। এই সব সমস্যার মাঝেও সবচেয়ে প্রকট হয়ে ওঠে ডাকসুর সমন্বয়হীনতা।

জুমা লিখেন, শহীদ মিনারে প্রথম প্রহরে ডাকসু কখন ফুল দিতে যাবে— প্রশ্ন দুইবার করার পর কল দিয়ে আমাকে জানানো হয়, সিনেট সদস্যরা যাবে কেবল রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে। সিলেক্টিভ পাস। ফাইন। কিন্তু একটু পর দেখি, এই সিলেক্টিভ পাস একটি দলের ইউনিয়ন লেভেলের কর্মীদেরও আছে। নাই কেবল ডাকসুর। ডাকসুর এটা কেমন গাফলতি, আমি জানি না।

ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক লিখেন, প্রভাতফেরীর আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় করে। সেইটার চিঠি আসে কেবল ভিপি, জিএস, এজিএসের কাছে। এই মেসেজ কনভে করার প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করেনি। গ্রুপে জিজ্ঞেস করার পরেও না। পরে আমি কল দিয়ে জেনে গ্রুপে নোটিস দিলাম। দেখা যাক, কে কে আসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

তিনি লিখেন, ডাকসুর পক্ষ থেকে ফুল দিবে সিনেটের সদস্যরা মিলে— এমন প্ল্যান হলে গ্রুপে জানাতেন। অথবা সেখানে পরে সকলের জন্য এন্ট্রি এক্সেস থাকলে বাকিদের গ্রুপে বলে দিতেন যে, এই টাইমে আমরা ফুল দিব, উপস্থিত থাকবেন। সমস্যা তো ছিল না। আপনারা ডাকসুর নাম না নিয়ে ‘সিনেট সদস্যবৃন্দ’ ব্যানারে গেলেও মানুষ বাকি সম্পাদকদের দোষ খুঁজতো না।একে তো প্রশাসনিক কারণে সকলের উপর চাপ। সেই পথ যখন স্বয়ং ডাকসু প্রতিনিধিরা সুগম করে, তখন বাকিদের যাওয়ার জায়গা থাকে না। এইসব কিছু গ্রুপে বলে আলাপ করে মিটানো যায়। গ্রুপে মিটিংয়ে এসব প্রশ্নের উত্তর ক্যাঁচাল লাগার আগে কেউ দেয় না।

জুমা লিখেন, ডাকসু আমার কাছে শিক্ষার্থীদের আমানত। সম্পাদক হিসেবে আমার দায় আছে শিক্ষার্থীদের কাছে। আমার কাছে শিক্ষার্থীরা জবাব চাইলে আমি দিতে বাধ্য। তবে এই জবাব আমারও দিতে সুবিধা হতো ভিপি-জিএস-এজিএস ব্যাপারগুলো আরো সহজ করলে। আমার এসব সিলি ইস্যুতে কথা বলা লাগতো না আর।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!