× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

ইবি শিক্ষিকার গলা কাটলেন কর্মচারী, ছুরি চালালেন নিজের গলাতেও

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া লুনা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া লুনা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া লুনার গলায় ছুরি চালিয়েছেন ফজলু নামে এক কর্মচারী। পরে নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়েছেন একই বিভাগের সাবেক এই কর্মচারী।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের রুমে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মচারী বেতন পাচ্ছিলেন না৷ এটি নিয়ে বেশ কয়দিন আগে বিভাগীয় সভাপতির সাথে ঝামেলা হওয়ার পরে সম্প্রতি ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এই কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভবনের নীচে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য জানান, ঘটনার সময় আমরা এখানে ৪ জন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ করে আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজে নিজেই গলায় ছুঁড়ি চালায় দিচ্ছেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলু কে বদলি করা হয় আজ থেকে প্রায় ২ থেকে ১ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না ।এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। এরকম যে পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারেননি যে উনি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মচারী, উনি এখান থেকে চলে যাবেন, উনি সবকিছুই জানেন এই বিভাগের।

তিনি বলেন, ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয়। আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নিবে আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিল। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ঐ রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। কর্মচারী ঢুকে লক করে দেন।

Link copied!