রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে ছুটির সময় হঠাৎ প্রায় অর্ধশত গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরিবেশের ক্ষতি এবং ক্যাম্পাসের সবুজ সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের গাছগুলি কর্তন শুরু করে। দুপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত গাছ কাটা হয়েছে। আরও কিছু গাছের মূলের মাটি সরানো হয়েছে কর্তনের উদ্দেশ্যে, এবং প্রায় ১৮০টি গাছ কর্তন করা হতো বলে জানিয়েছেন কর্মরত কর্মচারীরা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন। এতে প্রশাসন বাকি গাছ কাটা কার্যক্রম স্থগিত রাখে।
শিক্ষার্থীরা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে প্রশাসন হঠাৎ করেই ক্যাম্পাসের গাছ কেটে ফেলেছে। এতে ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ এতগুলো গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত তাদের হতবাক করেছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব ইসলাম সাকিব বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। প্রশাসন কেন এমনটা করল, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেইসাথে এর জবাবও আমরা চাই।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহিরাঙ্গন পরিচালক প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমান বলেছেন, ‘ঈদের নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে যে সব গাছ কাতারের মধ্যে পড়ে, সেসব গাছ কাটা হয়েছে। এখন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।’



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন